মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

গ্রাম আদালত বিধিমালা

(ক) তফসিলের প্রথম অংশঃ বিচারযোগ্য ফৌজদারি মামলাসমুহঃ-

১) দন্ডবিধির ধারা ৩২৩ বা ৪২৬ বা ৪৪৭ মোতাবেক কোন অপরাধ সংঘটন করা, বে-আইনি জনসমাবেশ সাধারন উদ্দেশো হলে এবং উক্ত বে-আইনি জনসমাবেশের জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা ১০ এর অধিক না হলে দন্ডবিধি ১৪৩ ও ১৪৭ ধারা, ১৪১ ধারা এর ৩য় বা ৪র্থ দফার সাথে পঠিতব্য;

২) দন্ডবিধির ধারা ১৬০, ৩৩৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮, ৫০৪, ৫০৬, ( প্রথম অংশ ) ৫০৮, ৫০৯, এবং ৫১০;

৩) দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০, ও ৩৮১ যখন সংঘঠিত অপরাধটি গবাদিপশু সংক্রান্ত হয় এবং গবাদিপশুর মূল্য অনধিক ২৫,০০০/- (পচিশ হাজার ) টাকা হয়;

৪) দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০, ও ৩৮১ যখন সংঘঠিত অপরাধটি গবাদিপশু ছাড়া অন্য কোন সম্পতি সংক্রান্ত হয় এবং উক্ত সম্পতির মূল্য অনধিক ২৫,০০০/- (পচিশ হাজার ) টাকা হয়;

৫) দন্ডবিধির ধারা ৪০৩, ৪০৬, ৪১৭, ও ৪২০ যখন অপরাধ সংশ্লিষ্ট অর্থের পরিমান অনধিক ২৫,০০০/- (পচিশ হাজার ) টাকা হয়;

৬) দন্ডবিধির ধারা ৪২৭, যখন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্য অনধিক ২৫,০০০/- ( পচিশ হাজার ) টাকা হয়

৭) দন্ডবিধির ধারা ৪২৮ ও ৪২৯ যখন গবাদিপশুর মূল্য অনধিক ২৫,০০০/- (পচিশ হাজার ) টাকা হয়;

৮) cattle tresspass Act, 1871 (Act No. 1 of 1871) এর section 24, 26, 2

৯) উপরিউক্ত যে কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা তার সংঘটনের সহায়তা করা।

(খ) তফসিলের দ্বিতীয় অংশঃ দেওয়ানি মামলাসমুহঃ-১) কোন চুক্তি মোতাবেক পাওনা টাকা বা দলিল দস্তাবেজ আদায়ের মামলা;

২) অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার বা এর মূল্য আদায় জনিত;

৩) গবাদি পশুর দ্বারা ক্ষতি সাধনের মামলা;

৪) এক বছর কালের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বেদখল হলে তা পুর্নদর্খলের মোকদ্দমা;

৫) অন্যায়ভাবে অস্থাবর সম্পত্তির দখল বা ক্ষতিসাধনের জন্য ক্ষতিপূরণের ২৫ (পচিশ হাজার টাকা) মামলা;

৬) কৃষি শ্রমিকদের পরিশোধযোগ্য মজুরি ও ক্ষতিপূরন ২৫ (পচিশ) হাজার টাকা আদায়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি ।

(গ) গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাঃ-

গ্রাম আদালত আইনের ৩ ধারার তফসিলের প্রথম অংশে ফৌজদারি মামলা এবং দ্বিতীয় অংশে দেওয়ানি মামলার বিষয়াবলী বর্ননা করা হয়েছে । অতপর ভিন্ন রকম বিধান না থাকলে, গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে এবং কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি আদালতের অনুরুপ কোন মামলা বা মোকদ্দমার বিচারের এখতিয়ার থাকবে না।

(ঘ) যে সকল মামলা গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য নয়ঃ-

১) ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেঃ-

অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পূর্বে গ্রাম আদালত কর্তৃক আদালত আমলযোগ্য কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্থ হয়ে দন্ডপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন ।

২) দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রেঃ-

যে মামলার কোন নাবালকের স্বার্থ জড়িত থাকে;

বিবাদের পক্ষগনের মধ্যে সম্পাদিত কোন চুক্তিতে সালিশের বা বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান থাকে;

সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা কর্তব্য পালনরত কোন সরকারি কর্মচারী উক্ত বিবাদের পক্ষ হলে ।
undefined

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠনকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত বিষয়াবলী সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সূচী
ধারাসমূহ

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন ও প্রয়োগ
২৷ সংজ্ঞা
৩৷ গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলা
৪৷ গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন
৫৷ গ্রাম আদালত গঠন, ইত্যাদি
৬৷ গ্রাম আদালতের এখতিয়ার, ইত্যাদি
৭৷ গ্রাম আদালতের ক্ষমতা
৮৷ গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়া ও আপিল
৯৷ গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকরকরণ
১০৷ সাক্ষীকে সমন দেওয়া, ইত্যাদির ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতের ক্ষমতা
১১৷ গ্রাম আদালতের অবমাননা
১২৷ জরিমানা আদায়
১৩৷ পদ্ধতি
১৪৷ আইনজীবী নিয়োগ নিষিদ্ধ
১৫৷ সরকারী কর্মচারী, পর্দানশীল বৃদ্ধ মহিলা এবং শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির পক্ষে প্রতিনিধিত্ব
১৬৷ কতিপয় মামলার স্থানান্তর
১৭৷ পুলিশ কর্তৃক তদন্ত
১৮৷ বিচারাধীন মামলাসমূহ
১৯৷ অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা
২০৷ বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা
২১৷ রহিতকরণ ও হেফাজত
তফসিল


Share with :

Facebook Twitter